• ২ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Coromandel Express Accident

রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
দেশ

করমন্ডল দুর্ঘটনা: 'কিছু একটা ঘটেছে নিশ্চয়ই', মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০! সংশয় মমতার

বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৮। আহতের সংখ্যা সাড়ে ছশোরও বেশি। যদিও বেসরকারি ভাবে মৃতের সংখ্য়া আরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ও মনে করেন প্রায় ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভয়ানক রেল দুর্ঘটনায়।করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলার বহু মানুষ, আহত হয়েছেন অনেকে। শুক্রবার রাত পেরিয়ে শনিবার দিনভর উদ্ধারকাজ চলছে। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার সকালে বালেশ্বরে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে রেল-বাজেট নিয়ে ক্ষোভের কথাও উগরে দিলেন মমতা।শনিবার হেলিকপ্টারে চেপে বালেশ্বরের দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্ধারকাজ খতিয়ে দেখে তিনি কথা বলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে যে রাজ্যের মানুষ মারা গিয়েছেন সেই রাজ্যের সরকার মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করবেন। আমরাও মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেব। ওড়িশা সরকার ও রেলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরাও কাজ করছি।রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় এদিন কেন্দ্রীয় রেল বাজেট না হওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু একটা ঘটেছে নিশ্চয়ই। ভালো করে তদন্ত করতে হবে। আমি তো শুনছি সংখ্যাটা ৫০০ (সম্ভবত মৃতের সংখ্যা বোঝাতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী)। রেলকেই বিশেষভাবে গোটা বিষয়টি দেখতে হবে। এখন তো রেলের বাজেটও হয় না। মুখ্যমন্ত্রী যখন এই কথাগুলো বলছেন তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তা শুনছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, এখনও পর্যন্ত ২৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, সংখ্যাটা আও বাড়তে পারে।শুক্রবার সন্ধা রাতে ওড়িশার বালেশ্বরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এরাজ্যের বহু মানুষ দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সওয়ারি ছিলেন। রাজ্যের তরফে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন, নবান্নের তরফে ওডিশা সরকার এবং দক্ষিণ পূর্ব রেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যে নম্বরগুলি চালু করা হয়েছে সেগুলি হল, 033- 22143526/ 22535185. এছাড়া অন্য হেল্পলাইন নম্বরগুলি হল, হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য 033 2638 2217, খড়গপুর ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল 8972073925/9332392339, বালাসোর ডিভিশনের জন্য হেল্পলাইন নম্বর 8249591559/ 7978418322 এবং শালিমার ডিভিশনের জন্য 9903370746। বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যার নম্বর হল 6782262286।

জুন ০৩, ২০২৩
দেশ

ওড়িষার বালেশ্বরে বীভৎস ট্রেন দুর্ঘটনা, হাহাকার-আর্তনাদ, মৃতের সংখ্যা ১৫০ ছড়াতে পারে, জখম ২৫০-র বেশি

ওড়িশার বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় হুহু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আহত হয়েছেন বহু যাত্রী। তাঁদের বালেশ্বরের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বালেশ্বরে মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে লাইনচ্যুত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের(Coromandel Express Accident), তারপর ডাউন যশবন্ত এক্সপ্রেসেও ধাক্কা লেগে যায়। দুর্ঘটনার পরই উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে। স্থানীয় মানুষজন উদ্ধার কার্যে হাত লাগায়। হাওড়া ও শালিমার স্টেশনে আত্মীয়-পরিজনদের খোঁজ নিতে ভিড় করেছেন মানুষজন। ইতিমধ্য়ে দক্ষিণ পূর্ব রেলে একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওড়িশা সরকার এবং দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের সাথে সমন্বয় করছে রাজ্য সরকার। জরুরী কন্ট্রোল রুম 033- 22143526/ 22535185 নম্বরগুলি একবারে সক্রিয়। উদ্ধার, পুনরুদ্ধার, সাহায্য এবং সহায়তার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। ওড়িশা সরকার এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করতে এবং উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করার জন্য ঘটনাস্থলে ৫-৬ সদস্যের একটি দল পাঠাচ্ছে রাজ্য। মুখ্য সচিব এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।দুর্ঘটনার জেরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন উঠে যায় মালগাড়ির ওপরে। একটি কামরা উঠে যায় আরেকটা কামরায়। বালেশ্বরের বাহানাগা বাজার স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার তীব্রতা ও ভয়াবহতা দেখে আশঙ্কা করা হচ্ছে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। রেল কতৃপক্ষ এখনও অবধি মৃতের সংখ্যা ঘোষণা করেনি।শালিমার থেকে চেন্নাইয়ের পথে যাচ্ছিল ট্রেনটি। বালেশ্বরের কাছে বাহানাগর স্টেশনে কার্যত ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে এগোনোর মাঝে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনার পর কার্যত দেশলাইয়ের খোলের মতো লাইনের পাশে উল্টে পড়ে ট্রেনের কামরগুলি। এরাজ্যের অধিকাংশ যাত্রী রয়েছে এই ট্রেনে।কীভাবে দুর্ঘটনা? কি করে এক লাইনে দুটো ট্রেন? সিগনালিংয়ের সমস্যা নাকি কারো গাফিলতির জেরে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা? রেল কতৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জুন ০২, ২০২৩

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে চাঞ্চল্য, প্রাণনাশের হুমকি বিজেপি প্রার্থীকে

ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার আগেই বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনি বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও বিষয়টি জানিয়েছেন।বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই প্রচারে বেরিয়েছিলেন শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রচার শেষে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর কাছে একটি ফোন আসে বলে অভিযোগ। ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে দীপ্তেশ দে বলে পরিচয় দেয়। এরপরই ওই ব্যক্তি অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন এবং শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তিনি স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং অবস্থান খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র, যিনি বাদল নামে পরিচিত, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের এই ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! যুবকদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি বিজেপির

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা যুবসাথীর মতো প্রকল্প নিয়ে বারবার সমালোচনা করেছে বিজেপি। কিন্তু ভোটের আগে সেই ভাতাকেই হাতিয়ার করেই বাংলার ভোটে নামছে গেরুয়া শিবির। সংকল্পপত্র অনুযায়ী এবার বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন একটি প্রকল্প ঘোষণা করল তারা। সেই প্রতিশ্রুতি মেনে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে প্রকাশ করা হল যুবশক্তি ভরসা কার্ড।বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে যুবকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ এবং আন্তর্জাতিক বক্সার বিজেন্দ্র সিং। এই প্রকল্প অনুযায়ী বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানে লিয়েন্ডার পেজ বলেন, যে কোনও বড় শহরকে এমন হতে হবে যাতে মানুষ সেখানে থাকতে চান। তাঁর মতে, বাংলা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ছে এবং শিল্প অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ফলে এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে। তিনি এই পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলেছেন।অন্যদিকে বিজেন্দ্র সিং বলেন, মানুষ যেমন বাসি জিনিস পছন্দ করেন না, তেমনই পুরনো সরকারও পছন্দ করেন না। তিনি যুবক ও মহিলাদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান।এর আগে বুধবার মাতৃশক্তি ভরসা নামে আরেকটি কার্ড প্রকাশ করেছিল বিজেপি, যেখানে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় সেই কার্ড বিলি করা হচ্ছে।এই কার্ড বিতরণ নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোটের আগে এই ধরনের কার্ড বিলি করে নির্বাচনী বিধি ভাঙছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইসলামপুরের সভা থেকে অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এই কার্ড বিলি করছেন, যা নির্বাচনের নিয়মের বিরোধী। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভাতা এবং প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় স্বস্তি তৃণমূল প্রার্থীকে, পুলিশের হাত আপাতত বাঁধল আদালত

ভোটের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাঝেই আদালত থেকে বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অজয় কুমার মুখোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারবে না পুলিশ। তবে একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে যেতে কোনও বাধা নেই।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়ছেন পবিত্র কর। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার দিনই তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়, ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এরই মধ্যে হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে পবিত্র করের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়। সেই এফআইআর খারিজ করার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। নন্দীগ্রামে প্রথম দফাতেই ভোট রয়েছে ২৩ এপ্রিল, তাই তার আগেই মামলার শুনানি চেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। বৃহস্পতিবার সেই মামলারই শুনানি হয়।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা দায়ের হয়। তিনি দাবি করেন, পবিত্র কর বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েও তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন, যা আইনসিদ্ধ নয়। পাশাপাশি নন্দীগ্রামে অশান্তি তৈরির অভিযোগও তোলেন তিনি।এই অভিযোগের জবাবে পবিত্র কর পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে যে সব মামলা ও সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তার পিছনে শুভেন্দু অধিকারীরই ভূমিকা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটের ফল বেরোলেই সব হিসেব মিটে যাবে।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
দেশ

মহিলা সংরক্ষণ না কি বড় রাজনৈতিক চমক? সংসদে তিন বিল বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে চাইছে কেন্দ্র। এই তিনটি বিল হল মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল, লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আসন পুনর্বিন্যাস বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এই তিনটি বিলই লোকসভায় পেশ করা হয়েছে। প্রায় ১২ ঘণ্টা আলোচনা চলার পর শুক্রবার বিকেলে এই বিলগুলির উপর ভোটাভুটি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।বিলগুলি পেশ করা হবে কি না, তা নিয়েও লোকসভায় ভোটাভুটি হয়। সেখানে ২৫১ জন সাংসদ বিল পেশের পক্ষে মত দেন, আর ১৮৫ জন বিরোধিতা করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এই বিশেষ অধিবেশন একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হতে চলেছে। তাঁর মতে, মা ও বোনেদের সম্মান জানানো মানেই দেশকে সম্মান জানানো।তবে এই তিনটি বিলের মধ্যে আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত প্রস্তাবটি ঘিরেই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিলের মাধ্যমে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।এই বিলগুলির খসড়া আগে থেকেই সাংসদদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিলগুলি পাশ হয়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে এই পরিবর্তন কার্যকর হতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিল পাশ হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, জনগণনার পর আসন পুনর্বিন্যাস করে তার মধ্যে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে। কিন্তু এখন কেন্দ্র ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে এবং দুটি বিষয়কে একসঙ্গে আনায় প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।এই বিষয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন ইতিমধ্যেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বিলের খসড়া পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও কেন্দ্রের সমালোচনা করে বলেছেন, এটি একটি বিপজ্জনক পরিকল্পনা হতে পারে।বিরোধী জোটের নেতারাও এই বিষয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং বিলের বিরোধিতায় একজোট হওয়ার কথা জানিয়েছেন।যদিও কেন্দ্রের দাবি, বিরোধীরা বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছে। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে গুজব ছড়ানো উচিত নয় এবং এর অজুহাতে মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা করা ঠিক নয়।সব মিলিয়ে, এই তিনটি বিল ঘিরে সংসদে তুমুল রাজনৈতিক লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

মহিলা সংরক্ষণ বিলেই লুকিয়ে বঙ্গভঙ্গের চক্রান্ত? বিস্ফোরক দাবি মমতার

কেন্দ্রের প্রস্তাবিত নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, অর্থাৎ মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই কোচবিহারের ঘোকসাডাঙার ছোটশিমূলগুড়ি ময়দানের জনসভা থেকে এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এই বিলের আড়ালে বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণকে তাঁর দল সমর্থন করে এবং এ নিয়ে তারা বহুদিন ধরে লড়াই করেছে। কিন্তু তিনি প্রশ্ন তোলেন, এতদিন ধরে পড়ে থাকা এই বিলের সঙ্গে হঠাৎ আসন পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি কেন জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে এবং বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি কার্যকর করার পরিকল্পনাও লুকিয়ে থাকতে পারে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে এই নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম সংসদে পাশ হয়েছিল এবং সেই সময় বিরোধীরাও এই বিলকে সমর্থন করেছিল। বিলে বলা হয়েছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। একই সঙ্গে উল্লেখ ছিল, জনগণনার পর আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে এবং তারপর সেই আসনের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে।এই প্রক্রিয়া কার্যকর হলে লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে প্রায় ৮৫০ হতে পারে। তবে এখন কেন্দ্র সরকার ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে। সেই অনুযায়ীই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় একজোট হয়েছে বিরোধী শিবির।সংসদে এই বিল পাশ করাতে গেলে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন। অর্থাৎ, ৫৪৩ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে অন্তত ৩৬২ জনের সমর্থন দরকার হবে। বর্তমানে শাসক জোটের হাতে রয়েছে ২৯৩টি আসন। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের শক্তি প্রায় ২৩০ থেকে ২৪০ জনের মধ্যে। ফলে ভোটাভুটির সময় সাংসদদের উপস্থিতি এই বিলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সব মিলিয়ে এই বিল ঘিরে রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বিএসএফ ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, মুহূর্তে পুড়ে মৃত্যু জওয়ানের

হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া এলাকায় বিএসএফের একটি ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল এক জওয়ানের। মৃতের নাম জ্যোতিরাম সিংহ। তিনি এএসআই পদে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে ক্যাম্পের জ্বালানি মজুত রাখার ঘরে ঢুকতেই হঠাৎ আগুন লেগে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে তিনি আর বাইরে বেরোতে পারেননি এবং ঘরের ভিতরেই আটকে পড়ে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, স্পিডবোটের জন্য তেল ভরার সময় থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুন লাগার পর স্থানীয় মানুষজন ও অন্যান্য জওয়ানরা উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কেউ ভিতরে ঢুকতে পারেননি।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাসনাবাদ থানার পুলিশ। বিএসএফের জওয়ান, পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে দমকল বাহিনী এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।এরপর জ্যোতিরাম সিংহকে উদ্ধার করে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার বিষয়ে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ দাস জানিয়েছেন, বিএসএফ ক্যাম্পে আগুন লাগার ঘটনায় এক এএসআই পদমর্যাদার জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
দেশ

৪২ থেকে ৬৩! বাংলার লোকসভা আসনে বড়সড় বৃদ্ধি, কী হচ্ছে সংসদে?

আজ থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন, আর প্রথম দিন থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠার সম্ভাবনা। এই অধিবেশন ডাকা হয়েছে মূলত ৩৩ শতাংশ মহিলা আসন সংরক্ষণ বিল পাশের জন্য। তবে এর পাশাপাশি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করা হবে। একটি লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিল এবং অন্যটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইনের সংশোধনী বিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই তিনটি বিল নিয়েই সংসদে তুমুল বিতর্ক হবে। বিরোধীরা মহিলা সংরক্ষণ বিলকে সমর্থন করলেও, আসন পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করতে পারে।প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে লোকসভা ও বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় এখন বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। নতুন করে ভাবা হচ্ছে, শুধু জনগণনার ভিত্তিতে নয়, প্রতিটি রাজ্যের বর্তমান লোকসভা আসনের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানো হতে পারে। যদিও এই বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিক বিলে উল্লেখ নেই, তবে সূত্রের খবর, বিল পেশের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলাদা করে এই বিষয়ে ঘোষণা করতে পারেন।এই নতুন ফর্মুলা কার্যকর হলে বিভিন্ন রাজ্যের আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। যেমন, তামিলনাড়ুর আসন সংখ্যা ৩৯ থেকে বেড়ে ৫৯ হতে পারে। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা আসন ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হতে পারে বলে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।এর আগে ২০২৩ সালে বলা হয়েছিল, ২০২৭ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। কিন্তু এখন সেই সিদ্ধান্ত বদলে ২০১১ সালের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্বিন্যাস করার কথা বলা হচ্ছে। এতে মোট লোকসভা আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে প্রায় ৮৫০ হতে পারে।এই বিষয়েই আপত্তি তুলছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্র নিজের সুবিধামতো আসন সংখ্যা বাড়াতে চাইছে। যদিও মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তাদের সমর্থন রয়েছে, কিন্তু ডিলিমিটেশন বিল উঠলেই তারা তীব্র বিরোধিতা করবে বলে জানা গেছে।লোকসভায় কোনও বিল পাশ করাতে গেলে মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, ৫৪৩ জনের মধ্যে অন্তত ৩৬০ জনের সমর্থন দরকার। বর্তমানে শাসক জোটের হাতে রয়েছে ২৯৩টি আসন। ফলে এই বিল পাশ করানো সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি লোকসভায় বিল পাশ না হয়, তাহলে সেটি আর রাজ্যসভায় পেশ করা যাবে না।এই পরিস্থিতিতে আজকের অধিবেশন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় আতঙ্ক! একসঙ্গে অসুস্থ বহু জওয়ান, তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব কমিশনের

ভোটের আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি, তার মধ্যেই কোচবিহারে হঠাৎ একের পর এক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়তেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন এমন ঘটনা ঘটল, কী কারণে জওয়ানরা অসুস্থ হলেন, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজ্যে বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁদের থাকার জন্য স্কুল ও অন্যান্য ভবনে অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের একটি স্কুলেও এমনই একটি শিবিরে ছিলেন জওয়ানরা। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকা ২৪ জন জওয়ান অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। বাকি ১০ জন প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরে যান বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।অসুস্থ জওয়ানদের মধ্যে বেশিরভাগই তীব্র পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। দ্রুত তাঁদের তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে জানা যাচ্ছে, জওয়ানরা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছিলেন।ঠিক কোন খাবার বা পানীয় থেকে এই সমস্যা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তাঁদের খাওয়ার জল ও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal